• এসএসসি রেজাল্ট ২০১৯ । নাম্বার সহ এসএসসি, দাখিল ও ভোকেশনাল পরীক্ষার ফলাফল ২০১৯Breaking News

    Wednesday, March 5, 2025

    New

    সাধারণভাবে, বাংলাদেশসহ বিশ্বের বেশিরভাগ দেশের সামরিক বাহিনীর সদস্যদের একটি বিশেষ কর কাঠামোর আওতায় রাখা হয়। বাংলাদেশে, সামরিক বাহিনীর সদস্যদের বেতন সাধারণত করমুক্ত থাকে, তবে অন্যান্য আর্থিক সুবিধাগুলোর ওপর নির্দিষ্ট কিছু শর্তসাপেক্ষে কর আরোপিত হতে পারে।

    এর পেছনে একটি কারণ রয়েছে—সামরিক বাহিনীর সদস্যরা দেশের জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেন। এবং যেকোনো বিপদের সম্মুখীন হওয়ার জন্য সর্বদা প্রস্তুত থাকতে হয় তাদের। এই কারণেই সরকার তাদের জন্য বিশেষ কর সুবিধা প্রদান করে। কিন্তু এর মানে কি তারা সম্পূর্ণ করমুক্ত? 🤔 উওর টি হলো “না “ তাদেরও কিছু কিছু ক্ষেত্রে কর দিতে হয়, যেমন ব্যক্তিগত ব্যবসার আয় বা বেসরকারি বিনিয়োগ।

    দুদক, এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন! সাধারণত, দুদক  বা দুর্নীতি দমন কমিশন বেসামরিক প্রতিষ্ঠান এবং সরকারি কর্মকর্তাদের দুর্নীতি রোধে কাজ করে। কিন্তু, সামরিক বাহিনীর সদস্যদের ক্ষেত্রে এটি একটু আলাদা।

     

    বাংলাদেশের সংবিধান ও সামরিক আইন অনুসারে, সেনাবাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠলে, তা সামরিক আদালতের মাধ্যমেই নিষ্পত্তি করা হয়। অর্থাৎ, দুদকের মতো বেসামরিক সংস্থাগুলো সরাসরি তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারে না। তবে, বিশেষ ক্ষেত্রে সরকার অনুমোদন দিলে সেনাবাহিনীর কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে সাধারণ আদালতে মামলা হতে পারে।

    সাধারণ নাগরিক এবং সামরিক বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে পার্থক্য শুধু কর বা দুদকের এখতিয়ারেই সীমাবদ্ধ নয়! বরং এটি জীবনযাত্রা, দায়িত্ব ও অধিকার পর্যন্ত বিস্তৃত।

    একজন সাধারণ নাগরিক স্বাধীনভাবে চলাফেরা করতে পারেন, যেখানে সামরিক বাহিনীর সদস্যদের কঠোর নিয়মের মধ্যে থাকতে হয়। তারা ব্যক্তিগত জীবনের অনেক কিছুই বিসর্জন দেন, যা সাধারণ নাগরিকদের ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক নয়। উদাহরণস্বরূপ, একজন সেনা কর্মকর্তা যেখানে খুশি চাকরি পরিবর্তন করতে পারেন না, কিন্তু একজন সাধারণ নাগরিক সহজেই তার চাকরি পরিবর্তন করতে পারেন।

    অবসরপ্রাপ্ত সামরিক সদস্যদের ক্ষেত্রে কিছু নিয়ম পরিবর্তিত হয়। তারা সাধারণ নাগরিকদের মতো কর কাঠামোর আওতায় চলে আসেন, এবং তাদের অবসর ভাতা ও অন্যান্য উপার্জনের উপর নির্দিষ্ট পরিমাণ কর আরোপিত হতে পারে। তবে, অনেক ক্ষেত্রেই সরকার অবসরপ্রাপ্ত সেনাদের জন্য বিশেষ সুবিধা প্রদান করে, যেমন করছাড় বা ভর্তুকি সুবিধা।

    তবে, অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য যদি কোনো দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত হন, তাহলে তারা সম্পূর্ণরূপে দুদকের আওতাভুক্ত হন এবং সামরিক আদালতের পরিবর্তে সাধারণ আদালতে তাদের বিচার হতে পারে। 

    এখন কথা হচ্ছে, তাহলে কি সামরিক বাহিনীর কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে কখনো দুদক ব্যবস্থা নিতে পারে না? উত্তর হলো—অত্যন্ত বিশেষ ক্ষেত্রে, যখন তাদের কোনো কর্মকাণ্ড সম্পূর্ণভাবে বেসামরিক কোনো দুর্নীতির সঙ্গে সম্পর্কিত হয়, তখন সরকার চাইলে দুদকের হাতে তদন্তের দায়িত্ব দিতে পারে। কিন্তু এটি খুবই বিরল ঘটনা!

     

    বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বিমান বাহিনী, নৌবাহিনীসহ সকল প্রকার ডিফেন্সের চাকরির তথ্য, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ও প্রস্তুতি গাইড পেতে ঘুরে আসতে পারেন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল #CareerMessageথেকে।

    আমাকে ফেসবুকে খুঁজে পেতে পারেন:
    Career Message Facebook

    কমেন্টে মতামত জানাবেন, এরপর কী বিষয়ে লিখবো।
    ধন্যবাদ।

    The post সেনাবাহিনীর সদস্যদের কি ইনকাম ট্যাক্স দিতে হয়? appeared first on Trickbd.com.



    from Trickbd.com https://ift.tt/fLOCkJG
    via IFTTT

    No comments:

    Post a Comment

    Fashion

    Beauty

    Travel